১৭ মার্চ ২০২০ - ০৪:০২
করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ আপডেট

বিশ্বের ১৬০টি দেশে হানা দিয়েছে মরঘাতী ভাইরাস কোরোনা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা’র ঘোষণার ভিত্তিতে অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপে প্রাণহানী বৃদ্ধি পাবে।

আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থা (আবনা):বিশ্বের ১৬০টি দেশে হানা দিয়েছে মরঘাতী ভাইরাস করোনা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা’র ঘোষণার ভিত্তিতে অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপে প্রাণহানী বৃদ্ধি পাবে।

তথ্য গতরাতে (১৬ মার্চ) ইরানের ৩নং চ্যানেলে প্রচারিত রাতের সংবাদ থেকে গৃহীত:

গত ২৪ ঘন্টায় ইটালীতে ৩৬০০ নতুন রোগীর শরীরে করোনার সন্ধান পাওয়া গেছে এবং মারা গেছে ৩৬৫ জন। এক্ষেত্রে ইতালী ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে।

২৪ ঘন্টায় জার্মানীতে নতুনভাবে করোনার সন্ধান পাওয়া গেছে ১২০০ জনের শরীরে। দেশটির সীমান্তের উপর কড়া নজরদারীও চলছে।

ব্রিটেনে গত ২৪ ঘন্টায় ২৫০ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ব্রিটেনেও বিপদ সংকেত বেজে উঠেছে।

স্পেনের নতুন রোগীর সংখ্যা ২৯৪। দেশটির পার্লামেন্টের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এবং সশস্ত্র বাহিনীও সড়কে অবস্থান নিয়েছে।

এদিকে ফ্রান্সেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই মরণঘাতী ভাইরাস। বিভিন্ন শহরে দেখা দিয়েছে মাস্ক সংকট। জনগণ মাস্কের জন্য ফার্মেসীতে ভীড় জমালেও তাদেরকে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে।

আমেরিকায় আক্রান্তদের সংখ্যা ৩৮০০ ছাড়িয়েছে। মোস্ট এফেক্টেড শহর হিসেবে ইতিমধ্যে নিউইয়র্ক শহরের স্কুল ও রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অবশ্য বারংবার জনগণের সামনে ভুল তথ্য প্রদানকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবারও জনগণকে আশ্বস্ত করছেন তার পুরোনো স্টাইলে, যেন কিছুই ঘটেনি।

বিশ্বের যে দেশগুলোতে করোনা আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশী প্রাণহানী ঘটেছে ইরান সেগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ইরানে এ নাগাদ মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪৯৯১ এর মধ্যে ৪৯৯৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেছে এবং প্রাণ হারিয়েছে ৮৫৩ জন। মোস্ট এফেক্টেড শহর হিসেবে রাজধানী তেহরানের নাম তালিকার শীর্ষে। এরপর রয়েছে ঐতিহাসিক শহর ইসফাহান ও ইয়ায্দ।

এদিকে, কোরোনা প্রতিরোধ ও রোগীদের সেবাদানে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে ইসলামি বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর (আইআরজিসি)। তাদের ২০টি স্থায়ী ও ৯টি অস্থায়ী হাসপাতালকে ইতিমধ্যে করোনা প্রতিরোধ অধিদপ্তরের এক্তিয়ারে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ইরান সেনাবাহিনীও বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ক্লিনিক স্থাপন করে রোগীদেরকে সেবা দিচ্ছে পাশাপাশি সড়কগুলো জীবানুমুক্ত করনের কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন শহরের জনগণও গণস্থানসমূহ জীবানুমুক্ত করছে।#176